সর্বশেষ আপডেট :
কলাপাড়ায় আ.লীগ কার্যালয় এখন বিএনপির নেত্রীর ‘গুদামঘর’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় টিকা সংকট ও হাম সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ, স্বাস্থ্যখাতে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের অগ্রযাত্রা: তৎকালীন সংসদে মহিববুর রহমানের জোরালো দাবি ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করছি” — কালুরঘাটে মেজর জিয়ার আহ্বান দেশে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের মজুত এখন গড়ে মাত্র ১০ দিনের—যা সম্ভাব্য বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে “খুব দ্রুতই গণবিস্ফোরণ ঘটাবে আওয়ামী লীগ”— নানক যুক্তরাষ্ট্রের ‘মহাপ্রহর’: বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য বন্ধ ভিসার দরজা! চমকে দেওয়া ঘোষণা, স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কায় হাজারো পরিবার তৃণমূলকে বিপদে রেখে জাঁকজমকপূর্ণ ঈদ উদযাপন: কেন্দ্রীয়  যুবলীগ নেতা সোহাগকে ঘিরে বিতর্ক তৃণমূলকে বিপদে রেখে জাঁকজমকপূর্ণ ঈদ উদযাপন: কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সোহাগকে ঘিরে বিতর্ক
ছেলেকে মৃত দেখিয়ে মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি

ছেলেকে মৃত দেখিয়ে মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি

ঢাকা:

জীবিত এক কিশোরকে “মৃত” দেখিয়ে করা একটি হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২৪ জন আসামিকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের সময় কেরানীগঞ্জ এলাকায় জিহাদ নামের এক কিশোরকে হত্যা করা হয়েছে। এই অভিযোগে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের আসামি করা হয়।

তবে তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। পুলিশ জানায়, যে কিশোরকে মৃত দাবি করা হয়েছিল, সে আসলে জীবিত। জিহাদ নিজেও আদালতে উপস্থিত হয়ে জানায়, সে নিহত হয়নি, বরং ঘটনাকালে আহত হয়েছিল।

এছাড়া মামলায় ঘটনাস্থল নিয়েও অসঙ্গতি পাওয়া যায়। এজাহারে কেরানীগঞ্জে হত্যার কথা বলা হলেও তদন্তে জানা যায়, ঘটনাটি অন্য এলাকায় ঘটেছিল এবং তা হত্যাকাণ্ড ছিল না।

তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে জানায়, মামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন ও অসত্য। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি গ্রহণ না করে সব আসামিকে অব্যাহতি দেন।

আইনজীবীরা বলছেন, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে মামলা দায়ের বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রকৃত ন্যায়বিচার ব্যাহত করতে পারে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আরও সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, মামলাটি ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর দায়ের করা হয়েছিল। তদন্তে অসত্য প্রমাণিত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তা খারিজ হয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved
কারিগরি সহায়তা: Amader Kotha